Posts

আদনান তাসিন হত্যাঃ টুকরো টুকরো মন্তব্য

Image
"সন্তান হারানোর কষ্ট একই। আমার বুকটা থেমে থেমে কেঁপে ওঠে।" কি অসহায় আক্ষেপ! যার হারায় সেই শুধু জানে হারানোর কষ্ট। তাসিনের হত্যার বিচার হোক।   অত্যন্ত দূঃখজনক। তাসিন অথবা তার মত মেধাবী অন্যান্য শিক্ষার্থী/মানুষদের এভাবে ওইসব অশিক্ষিত চালকদের জন্য অকালে চলে যেতে হচ্ছে। যাদের জন্যে দেশ এসব মেধাকে হারাচ্ছে তাদের কাছে আমাদের মত সাধারণ মানুষের জীবনের মূল্য কীটপতঙ্গের চেয়েও কম। হয়তোবা আমাদের দেশের/সমাজের সেইসব কথিত উচ্চ ও নীতিনির্ধারণী শ্রেণীর লোকেরা যদি তাদের বুকের ধন এভাবে হারাতেন তাহলে তাসিনের পিতার বা সড়ক দুর্ঘটনায়(!) মারা যাওয়া মানুষের পরিবারের কষ্ট ও যন্ত্রণাটা বুঝতেন এবং হয়তোবা এর প্রতিকারে সত্যিকারভাবে কার্যকর কোন পদক্ষেপ তারা নিতেন শুধু প্রতিশ্রুতি ছাড়া। যেহেতু তাদের এই জ্বালা-যন্ত্রণা নেই তাই তাদের কাছেও তাসিন আরেকটা সংখ্যা বা খবর মাত্র, যাতে কোনভাবে মানুষের প্রাথমিক আবেগটা সামাল দিয়ে পার পাওয়া যায়। দুই দিন পর নতুন ঘটনা হবে, আরেক তাসিন এর মৃত্যু হবে এবং পুরোনো তাসিনকে ভুলে গিয়ে আবারও প্রতিশ্রুতিরই বন্যা বইবে।   আদনান তাসিন প্লে গ্রুপ থেকে এস এস স...

তাসিনের জন্য কেউ দাঁড়ায়নি

Image
রাজধানীর বারিধারাসংলগ্ন নদ্দার অলিগলি পেরিয়ে জোয়ার সাহারা বাজার এলাকায় অলিপাড়ার নির্ধারিত বাড়িতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা সাতটা বেজে যায়। ফোন করে যাওয়ার কারণে বাসায় অপেক্ষায় ছিলেন আহসান উল্লাহ। বড় ছেলেকে সামনে ডেকে এনে পরিচয় করালেন। ছোট ছেলেকে এভাবে পরিচয় করানোর সুযোগ নেই। সোফার ফ্রন্ট টেবিলের নিচের পাটাতন থেকে উল্টে রাখা কয়েকটি ছবি বের করে বললেন, ‘ও তাসিন।’ ছবিগুলো দেয়াল থেকে নামিয়ে ফেলেছেন। কারণ, তাসিনের মা ছেলের অনুপস্থিতির কষ্ট মেনে নিতে পারছেন না। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মায়ের চোখের সামনে থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ছবিগুলো। আহসান উল্লাহকে বললাম, ‘প্রথম আলোর পাঠক মন্তব্যের অপশনে ছেলের জন্য সুবিচার চেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আপনি।’ সেন্ট জোসেফের ছাত্র আদনান তাসিন গত ১১ ফেব্রুয়ারি বাস তাকে হত্যা করে। ছবি: তাসিনের  পরিবারের সৌজন্যে রাজধানীর বারিধারাসংলগ্ন নদ্দার অলিগলি পেরিয়ে জোয়ার সাহারা বাজার এলাকায় অলিপাড়ার নির্ধারিত বাড়িতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা সাতটা বেজে যায়। ফোন করে যাওয়ার কারণে বাসায় অপেক্ষায় ছিলেন আহসান উল্লাহ। বড় ছেলেকে সামনে ডেকে এনে পরিচয় করাল...

ওহে ঘাতক- আর কত মায়ের বুক খালি করবি, আর কত রক্ত নিবি?

Image
আহসানুল্লাহ ভুইয়া টুটুল: যেদিকে তাকাই শুধু মৃত্যুর মিছিল চোঁখে পরে। আজ রাস্তায় মৃত্যুর মিছিল, জলে মৃত্যুর মিছিল, আকাশেও মৃত্যুপুরীর গন্ধ। ফাইযা, আদনান তাসিন, আব্রার, লাবণ্য , আরিফ, তাঞ্জিলাদের মায়েরা আজকে মৃত্যুর মিছিলে আকাশে বাতাসে এই মানব সভ্যতাকে অভিশাপ দিতেছে আর বলতেছে ‘ওহে ঘাতক- আর কত মায়ের বুক খালি করবি, আর কত রক্ত নিবি’ “রক্তের হোলি খেলা বন্ধ হবে কবে” বাংলাদেশের এখন প্রধান এবং এক নাম্বার সমস্যা সড়কে হত্যা , সড়কে হত্যা মহামারীর রুপ ধারন করেছে, প্রতিদিনের পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে “অমুক স্থানে অমুক সড়কে অমুক খুন” আর আর বেশির ভাগ সড়কের হত্যার খবর মিডিয়াতে আসেনা, আবার অনেক পত্রিকার হেডলাইন হয় “সড়কে হত্যার মিছিল” – “সড়ক যেন হত্যার পুরি” – “থামছে না সড়কে হত্যা” – “২৮ লক্ষ লাইসেন্স বিহীন চালক” – পায় ৯ লক্ষ ফিটনেস বিহীন গাড়ি” – এইসব কোন সংবাদই কর্তৃপক্ষের বা নীতি নির্ধারকদের চোখে পড়ে না, কয়েকজন আবার ভাঁড়ামি করে বিভিন্ন মিডিয়ায় বলেন পথচারীরা সচেতন হলেই সড়কে হত্যা কমবে, তারা আদৌ জানেন না সড়কে হত্যার কারন গুলো – তাই দায়সারা বক্তব্য দেন আর যে বা যারা সামাজিক আন্দোলন করেন ...

শেওড়া বাসস্টান্ডে ফুটওভারব্রিজটি আদনান তাসিনের নাম অনুসারে “আদনান ফুটওভারব্রিজ"

Image
২৫ মে ২০১৯ আদনান তাসিন হত্যার ১০৪ তম দিন অতিবাহিত হতে যাচ্ছে। তবে এখনো তার পরিবার কোনো ধরণের বিচার পায়নি। নিহত ছাত্রের বাবা প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে শরণাপন্ন হওয়ার পরেও এখনো দোষী চালক বা বাস মালিকের কেউই আইনের আওতায় আসেনি। গত ২১ মে ২০১৯ মঙ্গলবার , দুপুর ২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব জনাব মোজাম্মেল হক চৌধুরী ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের (ডাকসু ) ভিপি নুরুল হক নূর, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহব্বায়ক হাসান আল মামুনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, মানববন্ধন শেষে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ শেওড়া বাসস্টান্ডে ফুটওভারব্রিজটি আদনান তাসিনের নাম অনুসারে “আদনান ফুটওভারব্রিজ’ এ স্টিকার, ব্যানার লাগিয়ে পরে মোমবাতি জ্বালিয়ে মৌন প্রতিবাদ করে। মানবন্ধনে নিসআ’র পক্ষ থেকে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত দাবী সমূহ তুলে ধরা হয় – ১. সড়কে তাসিন হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ...

আদনান তাসিন হত্যার ১০০তম দিনে বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

Image
স্টাফ রিপোর্টার: গত ২১ মে ২০১৯ মঙ্গলবার , দুপুর ২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ) এর উদ্যোগে “সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আদনান তাসিন হত্যার বিচার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে” মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সোমবার দুপুর ২টার দিকে কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে বিমানবন্দর সড়কের শেওড়া বাসষ্ট্যান্ডে জেব্রা ক্রসিংয়ের উপর দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় উত্তরা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো -ক -১১৪৫৮৪) বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় নিহত হয় সেন্ট জোসেফ কলেজের একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া আদান তাসিন। ২৫ মে ২০১৯ আদনান তাসিন হত্যার ১০৪ তম দিন অতিবাহিত হতে যাচ্ছে। তবে এখনো তার পরিবার কোনো ধরণের বিচার পায়নি। নিহত ছাত্রের বাবা প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে শরণাপন্ন হওয়ার পরেও এখনো দোষী চালক বা বাস মালিকের কেউই আইনের আওতায় আসেনি। গত ২১ মে ২০১৯ মঙ্গলবার , দুপুর ২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব জনাব মোজাম্মেল হক চৌধুরী ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের (ডাকসু ) ভিপি নুরুল হক নূর, বাংলাদেশ সাধা...

সেন্টজোসেফের একাদশ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র আদনান তাসিন হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে

Image
  রাজধানী প্রতিবেদক: আদনান তাসিন সহ সড়কে সকল হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আগামি ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ৩০ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু করুন যে যেখানে আছেন সেই এলাকায়, সেই পাড়ায়, সেই মহল্লায়, দেশের ভিতর দেশের বাহিরে, সড়কে হত্যা ও বিচারহিনতার বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টি করুন, ঘাতকদের প্রশ্রয় দিলে তারা কাল আপনাকে বা আপনার স্বজনকে ছোবল মারবেই … সেন্ট জোসেফ কলেজ একাদশ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র আদনান তাসিন হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে , ২০৬ দিন অতিবাহত হলেও ঘাতকদের ধরা হয়নি, বরং যে বাস দিয়ে আদনান তাসিন কে হত্যা করা হয় তাও বাসের মালিকের কাছে ফেরত দিয়ে দেয়া হয়। আদনান তাসিনের বাবার ক্ষমতা নেই এবং অসুস্থ বলেই প্রশাসন এই বিষয়ে কিছুই করছেন না বরং ঘাতকদের বাঁচানোর চেষ্টা হচ্ছে আদনান তাসিনের নির্মম হত্যার বিচারের দাবিতে আদনান তাসিনের বাবা উত্তরের মেয়র ও গুলশান রেঞ্জ এর পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন কিন্তু কোন গুরুত্তই নেই। আদনান তাসিনের নির্মম হত্যার বিচারের দাবিতে আগামী সাপ্তাহ পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। আদনান তাসিনের...